নাছিম মৃধা, বাগেরহাট:
বাগেরহাটের চিতলমারী বাজারে ডেঙ্গু মশার বিস্তার ও প্রজনন প্রতিরোধে মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন ও চিতলমারী বাজার ব্যবসায়ী ব্যবস্থাপনা কমিটির সার্বিক তত্ত্বাবধানে বাজারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এ মশক নিধন স্প্রে করা হয়।
জানা গেছে, ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং বাজার এলাকায় মশার উপদ্রব কমাতে ধারাবাহিকভাবে এ কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে গত ৬ অক্টোবর প্রথম ধাপে চিতলমারী বাজারের বিভিন্ন এলাকায় মশক নিধন স্প্রে করা হয়। এরপর ১২ অক্টোবর দ্বিতীয় ধাপে পুনরায় বাজারের বিভিন্ন স্থানে মশক নিধন স্প্রে কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
দ্বিতীয় ধাপের স্প্রে কার্যক্রম চলাকালে চিতলমারী বাজার ব্যবসায়ী ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি শোয়েব হোসেন গাজী সার্বক্ষণিক উপস্থিত থেকে কার্যক্রম তদারকি করেন। বাজারের বিভিন্ন সড়ক, দোকানপাটের আশপাশ ও মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থলে স্প্রে করা হয়।
ব্যবসায়ী ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বর্ষা মৌসুমে বাজারের বিভিন্ন স্থানে পানি জমে মশার প্রজননস্থল তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এতে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত বিভিন্ন রোগ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। তাই নিয়মিত মশক নিধন স্প্রে এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ।

চিতলমারী বাজার ব্যবসায়ী ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি শোয়েব হোসেন গাজী বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু স্প্রে কার্যক্রম নয়, বাজার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়েও সবাইকে সচেতন হতে হবে। কোথাও যাতে পানি জমে না থাকে এবং মশার প্রজননস্থল তৈরি না হয়, সেদিকে ব্যবসায়ী ও স্থানীয়দের নজর রাখতে হবে।
স্থানীয়রা জানান, ডেঙ্গু প্রতিরোধে উপজেলা প্রশাসন ও বাজার ব্যবসায়ী ব্যবস্থাপনা কমিটির উদ্যোগ প্রশংসনীয়। নিয়মিতভাবে এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করা হলে বাজার এলাকায় মশার উপদ্রব অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে বলে তারা মনে করেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশক নিধন কার্যক্রমের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে নিজ নিজ বাড়ি, দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের আশপাশ পরিষ্কার রাখার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। বিশেষ করে কোনো পাত্র, ড্রাম, টব, পরিত্যক্ত টায়ার বা অন্য কোনো স্থানে পানি জমে থাকলে তা দ্রুত অপসারণ করতে হবে।
মন্তব্য করুন