নিজস্ব সংবাদদাতা
নিয়ম-নীতি ভঙ্গের অভিযোগে খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলা প্রতিনিধিকে বহিষ্কার এবং ফেসবুকে ফেক আইডির পাশাপাশি ব্যক্তিগত আইডি থেকেও বিভ্রান্তিকর পোস্টের অভিযোগে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করেছে অনলাইন গণমাধ্যম দৈনিক নেত্রপ্রকাশ।
ঘটনার শুরু হয় বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাতে। “আলোচনা ও নোটিশ গ্রুপ” নামের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পানছড়ি উপজেলা প্রতিনিধি ফাহিম উদ্দিন “দীর্ঘ তিন বছরের পথচলার সমাপ্তি” শিরোনামে একটি পোস্ট দেন। সেখানে তিনি লিখেন, “প্রতিষ্ঠানের কিছু নিয়ম-কানুন ও নীতিগত বিষয়ে আমার ব্যক্তিগত মত ও পছন্দের সঙ্গে সামঞ্জস্য না থাকায়, সম্পূর্ণ স্বেচ্ছায় এবং কোনো ধরনের চাপ বা বিরোধ ছাড়াই দৈনিক নেত্রপ্রকাশ থেকে অব্যাহতি নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
ঠিক ঐ দিনেই বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬) দৈনিক নেত্রপ্রকাশের সম্পাদক ও প্রকাশক মনির হোসেন স্বাক্ষরিত “জরুরি বিজ্ঞপ্তি” প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “পত্রিকার নিয়ম-নীতি ভঙ্গের অভিযোগে খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ি উপজেলা প্রতিনিধি ফাহিম উদ্দিন – পত্রিকার আইডি কার্ড নং নেত্র/১০৮২ কে আজ থেকে বহিষ্কার করা হলো।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বহিষ্কারের পর ফাহিম উদ্দিনের সাথে পত্রিকার পেশাগত, প্রশাসনিক ও আর্থিক কোনো সম্পর্ক নেই। এবং তিনি পত্রিকার নাম, লোগো ও আইডি কার্ড ব্যবহার করে কোনো কাজ করলে তার দায়ভার তাকেই বহন করতে হবে।
ঠিক তার পরদিন শুক্রবার ১১ ই সেপ্টেম্বর পত্রিকা কর্তৃপক্ষ আরেকটি জরুরি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। সেখানে অভিযোগ করা হয়, “কিছু অসাধু ব্যক্তি ফেসবুকে একাধিক ফেক আইডি ব্যবহার করে দৈনিক নেত্রপ্রকাশ এর নামে মিথ্যা, বানোয়াট ও মানহানিকর তথ্য প্রচার করছে।
পত্রিকা কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, আজ ১৩ সেপ্টেম্বর রবিবার বহিষ্কৃত ফাহিম উদ্দিন তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকেও প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করছেন। এগুলো উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে পত্রিকার সুনাম ক্ষুন্ন করার জন্য করা হচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এ বিষয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও সাইবার ক্রাইম ইউনিটকে অবহিত করার প্রস্তুতি চলছে এবং দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের অফিসিয়াল পেজ ও ফোন নাম্বার ব্যতীত অন্য কোনো তথ্য বিশ্বাস না করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
সম্পাদক মনির হোসেন বলেন, “আমাদের সুনাম রক্ষা এবং পাঠকদের বিভ্রান্তি এড়াতে আমরা প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার প্রক্রিয়ায় আছি।
মন্তব্য করুন