
মোঃ নুর উদ্দিন মন্ডল দুলাল, নেত্রকোণা।
স্থানীয়ভাবেউদ্ভাবিত লাগসই প্রযুক্তির ব্যবহার ও সম্প্রসারণে সচেতনতা বাড়াতে নেত্রকোণার পূর্বধলায় শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী সেমিনার ও প্রযুক্তি প্রদর্শনী।(১৯ জুন) শুক্রবার সকালে উপজেলা পরিষদ হলরুমে ‘স্থানীয়ভাবে উদ্ভাবিত লাগসই প্রযুক্তির প্রয়োগ ও সম্প্রসারণ’ শীর্ষক এই সেমিনারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
উপজেলা প্রশাসন, পূর্বধলা ও বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর) যৌথভাবে এই কর্মসূচির আয়োজন করেছে।
সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নেত্রকোণার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সুখময় সরকার। পূর্বধলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাসনীম জাহান এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দপ্তরের সহকারী সচিব মো. মোজাম্মেল হক।
“দেশের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে স্থানীয় পর্যায়ের উদ্ভাবনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। মানুষের দৈনন্দিন সমস্যার সমাধানে স্থানীয়ভাবে উদ্ভাবিত লাগসই প্রযুক্তি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। শিক্ষার্থী ও তরুণদের সৃজনশীল চিন্তা ও গবেষণায় উৎসাহিত করা গেলে ভবিষ্যতে আরও যুগোপযোগী ও কার্যকর প্রযুক্তি উদ্ভাবন সম্ভব।”
— সুখময় সরকার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক), নেত্রকোণা।
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিসিএসআইআরের আইইআরডির সিনিয়র সায়েন্টিফিক অফিসার সুমন চন্দ্র দেবনাথ। তিনি তার উপস্থাপনায় স্থানীয় প্রযুক্তির সম্ভাবনা, ব্যবহার এবং টেকসই উন্নয়নে এর ভূমিকা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন।
সেমিনারে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন:
মো. আবু বকর সিদ্দিক, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা।
রফিকুল ইসলাম, উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তা।
নুরে আলম সিদ্দিক মামুন, প্রধান শিক্ষক, পূর্বধলা জগৎমণি সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়।
গোলাম মোস্তফা, প্রধান শিক্ষক, মৌদাম সেসিপ মডেল উচ্চ বিদ্যালয়।
এ ছাড়া উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও আমন্ত্রিত সুধীজন সেমিনারে অংশ নেন।
১৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ
সেমিনার শেষে স্থানীয় জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে দুই দিনব্যাপী প্রযুক্তি প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন অতিথিরা। ১৯ ও ২০ জুন চলমান এই প্রদর্শনীতে উপজেলার মোট ১৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তাদের নিজস্ব ও উদ্ভাবিত লাগসই প্রযুক্তি নিয়ে স্টল সাজিয়েছে।
সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শফিকুল ইসলাম বলেন, “এ ধরনের আয়োজন স্থানীয় উদ্ভাবকদের প্রতিভা বিকাশের পাশাপাশি নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে। উপজেলা প্রশাসন সবসময় স্থানীয় উদ্ভাবকদের পাশে থাকবে এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করবে।
মন্তব্য করুন