
এ,কে,এম, রুহুল আমিন । স্টাফ রিপোর্টারঃ
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান। সরকার গঠনের পরপরই তাঁর অন্যতম প্রধান দুটি প্রতিশ্রুতি—‘ফ্যামিলি কার্ড’ এবং ‘কৃষক কার্ড’ বাস্তবায়নে দ্রুততম সময়ে উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ময়মনসিংহের দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলায় আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো কাঙ্ক্ষিত ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রম।
পর্যায়ক্রমে এই জনকল্যাণমুখী কার্যক্রম দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
কৃষকের মুখে হাসি, গফরগাঁওয়ে উৎসবের আমেজ
স্থানীয় কৃষকদের হাতে এই ‘কৃষক কার্ড’ তুলে দেওয়ায়। কার্ড হাতে পেয়ে স্থানীয় কৃষকদের মাঝে ব্যাপক আনন্দ ও উচ্ছ্বাস দেখা গেছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে কৃষিবান্ধব এবং জনগণের সরকার পরিচালনা করছেন, এই উদ্যোগ তারই এক অনন্য প্রমাণ। এই কার্ডের মাধ্যমে প্রান্তিক কৃষকেরা সরাসরি সরকারি প্রণোদনা, বীজ, সার ও সহজ শর্তে ঋণ সহায়তাসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা সরাসরি ভোগ করতে পারবেন। এতে করে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য যেমন কমবে, তেমনই দেশের কৃষি অর্থনীতিতে এক নতুন বিপ্লবের সূচনা হবে।
এক নজরে ‘কৃষক কার্ড’ ও ‘ফ্যামিলি কার্ড’-এর লক্ষ্য:
সরাসরি সুবিধা: সরকারি ভর্তুকি ও সহায়তা সরাসরি কৃষকের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা কার্ডের মাধ্যমে প্রদান।
স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ: মধ্যস্বত্বভোগী বা দালালের হস্তক্ষেপ ছাড়াই প্রকৃত সুবিধাভোগীর কাছে সেবা পৌঁছানো।
খাদ্য নিরাপত্তা: কৃষকদের উৎপাদন খরচ কমিয়ে দেশের সার্বিক খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার করা।
ফ্যামিলি কার্ডের আগমন: খুব শীঘ্রই নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ শুরু হতে যাচ্ছে, যার মাধ্যমে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সাশ্রয়ী মূল্যে প্রদান করা হবে।
”আমরা অত্যন্ত আনন্দিত যে প্রধানমন্ত্রী তাঁর কথা রেখেছেন। ক্ষমতা গ্রহণের পরপরই তিনি আমাদের মতো সাধারণ কৃষকদের কথা ভেবেছেন। এই কৃষক কার্ড আমাদের চাষাবাদের খরচ কমাতে এবং সরাসরি সরকারি সাহায্য পেতে বড় ভূমিকা রাখবে।” গফরগাঁও উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, প্রথম ধাপের এই সফল সূচনার পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে পুরো উপজেলায় কার্ড বিতরণ সম্পন্ন করা হবে। সরকারের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা অনুযায়ী, দেশের প্রতিটি অঞ্চলের প্রকৃত কৃষকদের তালিকাভুক্ত করে অতি দ্রুত সারা দেশে এই ‘কৃষক কার্ড’ এবং পাশাপাশি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের শতভাগ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা হবে। জনবান্ধব এই উদ্যোগের সফল বাস্তবায়ন বাংলাদেশকে একটি সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর অর্থনীতির দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করছেন দেশের সাধারণ মানুষ ও বিশিষ্টজনেরা।
মন্তব্য করুন