দক্ষিণ গফরগাঁওয়ে লংগাইর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুল হামিদ শেখের সমর্থনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
গফরগাঁও
দক্ষিণ গফরগাঁওয়ে লংগাইর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুল হামিদ শেখের সমর্থনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
গফরগাঁও
কলমাকান্দায় প্রস্তাবিত জোড়া সেতুর স্থান পরিদর্শনে প্রকল্প পরিচালক: দ্রুত বাস্তবায়নের আশ্বাস
জাতীয়
দক্ষিণ গফরগাঁওয়ে লংগাইর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুল হামিদ শেখের সমর্থনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
অন্যান্য
নিতীমালা ভাঙ্গায় পানছড়ি প্রতিনিধিকে বহিষ্কার, বিভ্রান্তিকর পোস্টের অভিযোগে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন
অভিযোগ
মেহেদী হাসান আরফাত
টেকনাফ উপজেলা প্রতিনিধি
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া সংলগ্ন সমুদ্র এলাকায় অভিযান চালিয়ে মালয়েশিয়াগামী একটি নৌকা থেকে ৫০ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। এ সময় মানবপাচার চক্রের সঙ্গে জড়িত ৯ জনকে আটক করা হয়।
শনিবার (৬ জুন) দুপুরে টেকনাফ কোস্ট গার্ড স্টেশনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেন কোস্ট গার্ড টেকনাফ স্টেশনের লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মো. মুত্তাকিন সিদ্দিকী।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ৫ জুন সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত কোস্ট গার্ড জাহাজ মনসুর আলী স্টেশন টেকনাফ, আউটপোস্ট শাহপরী দ্বীপ ও বাহারছড়ার সদস্যরা যৌথ অভিযান পরিচালনা করেন।
অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন বোটকে থামার সংকেত দেয়া হলে সেটি নির্দেশ অমান্য করে গভীর সমুদ্রের দিকে পালানোর চেষ্টা করে। পরে ধাওয়া করে বাহারছড়া উপকূল সংলগ্ন সমুদ্র এলাকা থেকে বোটটি আটক করা হয়। তল্লাশির সময় বোটে থাকা ৫০ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার এবং মানবপাচারের সঙ্গে জড়িত ৯ জনকে আটক করা হয়।
উদ্ধার ব্যক্তিদের মধ্যে ১১ জন রোহিঙ্গা এবং বাকিরা বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার বাসিন্দা।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, সংঘবদ্ধ মানবপাচারকারী চক্র বিদেশে উচ্চ বেতনের চাকরি ও উন্নত জীবনের প্রলোভন দেখিয়ে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নাগরিকদের টেকনাফে নিয়ে আসে। পরে তাদের বিভিন্ন গোপন আস্তানায় আটকে রেখে নির্যাতন ও মুক্তিপণ আদায় করা হতো। এরপর সাগরপথে মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে পাচারের পরিকল্পনা ছিল চক্রটির।
এছাড়া কয়েকজন ভুক্তভোগীকে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ের তথ্যও পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে কোস্ট গার্ড।
কোস্ট গার্ড সূত্রে জানা যায়, উদ্ধার করা ভুক্তভোগী, আটক মানবপাচারকারী এবং জব্দ করা বোটের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
মানবপাচার প্রতিরোধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড।