দক্ষিণ গফরগাঁওয়ে লংগাইর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুল হামিদ শেখের সমর্থনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
গফরগাঁও
দক্ষিণ গফরগাঁওয়ে লংগাইর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুল হামিদ শেখের সমর্থনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
গফরগাঁও
কলমাকান্দায় প্রস্তাবিত জোড়া সেতুর স্থান পরিদর্শনে প্রকল্প পরিচালক: দ্রুত বাস্তবায়নের আশ্বাস
জাতীয়
দক্ষিণ গফরগাঁওয়ে লংগাইর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুল হামিদ শেখের সমর্থনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
অন্যান্য
নিতীমালা ভাঙ্গায় পানছড়ি প্রতিনিধিকে বহিষ্কার, বিভ্রান্তিকর পোস্টের অভিযোগে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন
অভিযোগ
মোঃ রায়হান
মদন উপজেলা প্রতিনিধি
নেত্রকোনার মদনে পূর্বের স্বামীর ধারালো অস্ত্র দা,য়ের কোপে স্ত্রী এবং শাশুড়ি গুরুতর যখমের ঘটনাটি ঘটেছে।
মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে গত মঙ্গলবার (২ নভেম্বর ) দুপুর ১২ টার দিকে
জনসম্মুখে এ ঘটনাটি ঘটে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সামনে সাবেক (স্ত্রী) এবং শাশুড়িকে ধারালো অস্ত্র দা দিয়ে কুপিয়ে পালিয়ে যান সাবেক লম্পট মাদকাসক্ত স্বামী ফাহিম মিয়া (২৮)।
ঘটনায় ঐদিন রাতেই ভুক্তভোগীর পিতা নয়ন মিয়া (৫০) বাদী হয়ে সাবেক স্বামী ফাহিম (২৮)কে প্রধান আসামি করে দুজনের নাম উল্লেখ করে মদন থানায় এক মামলা দায়ের করেছেন দুজনের বিরুদ্ধে।
অভিযোগ ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত দুই বছর পূর্বে পারিবারিকভাবে মদন পৌরসভার মাস্টার পাড়ার ৪ নং ওয়ার্ডের রোকন উদ্দিনের ছেলে ফাহিম এর কাছে পারিবারিকভাবে গোবিন্দশ্রী ইউনিয়নের কদমশ্রী গ্রামের নয়ন মিয়া মেয়ের সঙ্গে
দুজনের বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। সাত মাসের একটি মেয়ে সন্তানও রয়েছে তাদের।
বিবাহর পর থেকে শুরু হয় কলি আক্তারের ওপর নির্যাতন, নিপীড়ন ।
মাদকাসক্ত স্বামীর নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে (স্ত্রী) ভুক্তভোগী কলি আক্তার নিজেই বাধ্য হয়ে নেত্রকোনা কোড আদালতের মাধ্যমে স্বামী ফাহিমকে তালাক নোটিশ পাঠায় তার বাড়িতে।
গেল মঙ্গলবার ৭ মাসের শিশু জ্বর অসুস্থতার জন্য
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন কলি আক্তার ও তার মা, শিল্পী আক্তার (৪৫)।
পরে ডাক্তার দেখিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে আসা মাত্রই ধারালো অস্ত্র দা, দিয়ে স্ত্রী কলি আক্তার ও শাশুড়ি মাকে কুপিয়ে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে মাদকাসক্ত লম্পট সাবেক স্বামী ফাহিম মিয়া।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কলি আক্তার বলেন, আমাকে বিবাহ করার পর থেকেই অধিক নির্যাতন করেছে ফাহিম ও তার নানা সাইফুল ইসলাম (৭০)যৌতুকের জন্য।
তার নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে অনেক বার বাড়িতে গিয়ে মা, বাবাকে বুঝিয়ে ১ লক্ষ টাকাও এনে দিয়েছি।
আমরা গরিব মানুষ বারবার কোথায় থেকে তাকে টাকা এনে দিব। তার নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে আমি বাধ্য হয়ে তাকে তালাক দেওয়ার কারণে আমার মা, ও আমাকে মদন হাসপাতালের সামনে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করেছে। আমি আইনের মাধ্যমে তার বিচার দাবি করছি।
বর্তমানে ভুক্তভোগী কলি আক্তার এবং তার মা, দুজনই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।

এ ঘটনা মদন থানা তদন্ত (ওসি) দেবাংশু কুমার দে বলেন, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।