গফরগাঁওয়ে ৩ মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু: স্বামী ও শাশুড়ির দিকে সন্দেহের তীর
অভিযোগ
গফরগাঁওয়ে ৩ মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু: স্বামী ও শাশুড়ির দিকে সন্দেহের তীর
অভিযোগ
কিম জং আনের বিলাসবহুল প্রমোদতরী ও ওনসান অবকাশযাপন কেন্দ্র
আন্তর্জাতিক
বলিউডে বক্স অফিসের হিসাব এবং বর্তমান চ্যালেঞ্জ নিয়ে বাণিজ্য বিশ্লেষকদের পর্যালোচনা
বিনোদন
সৌদি আরবকে রক্ষায় যুদ্ধবিমান ও সামরিক সহায়তা পাঠাচ্ছে যুক্তরাজ্য
আন্তর্জাতিক
স্বাস্থ্য অধিদফতরের নির্দেশনা অনুযায়ী করোনা থেকে সুস্থ হওয়ার অর্থাৎ নেগেটিভ ফল পাওয়ার চার সপ্তাহ পর টিকার প্রথম কিংবা দ্বিতীয় ডোজ নেওয়া যাবে। আর বুস্টার ডোজের ক্ষেত্রে অপেক্ষা করতে হবে ছয় সপ্তাহ। তবে আক্রান্ত হওয়ার পর টিকা নিলে কিছু বিপত্তির আশঙ্কা থেকে যায় বলে জানিয়েছে অধিদফতর।
রবিবার (৩০ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদফতরের মুখপাত্র এবং সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম স্বাস্থ্য বুলেটিনে জানান, যারা দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার পর বুস্টার ডোজের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন, যাদের কাছে এসএমএস এসেছে, তারা যদি করোনা আক্রান্ত হওয়ার কারণে নিতে না পারেন, তাহলে করোনা শনাক্ত হওয়ার ছয় সপ্তাহ পরে বুস্টার ডোজ নিতে পারবেন।
করোনা আক্রান্ত অবস্থায় টিকা নিলে কি হতে পারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, করোনা আক্রান্ত হলে এক ধরনের ভাইরাস সক্রিয় থাকে শরীরে, সে তার মতো করে সক্রিয় থাকে। পৃথিবীতে একেক মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা একেক রকম। সেই সময় যদি টিকার মাধ্যমে একটি প্রোটিন শরীরে প্রবেশ করে, যার কাজ শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো, সেক্ষেত্রে সেই প্রোটিন রেসপন্স নাও করতে পারে। সেজন্য আমরা বলি, যখন একটি ইনফেকশন হয়, শরীরে সক্রিয় ভাইরাস থাকে, আমি নিশ্চিত যে সেটি সক্রিয় আছে, ঠিক ততদিনের জন্য টিকা না নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। ১৪ দিন সময় লাগে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে। তার সঙ্গে আরও দুই সপ্তাহ যোগ হলে চার সপ্তাহে শরীর আগের অবস্থায় ফিরে যেতে থাকে।
তিনি আরও বলেন, ভাইরাস সক্রিয় থাকার সময় আবার শরীরে কিছু অ্যান্টিবডিও তৈরি হয়। আর যদি আক্রান্ত হওয়া অবস্থায় কেউ নিয়েও ফেলে সেক্ষেত্রে অনেক কিছুই হতে পারে। যেমন, অতিরিক্ত জ্বর, অতিরিক্ত গায়ে ব্যথা। এক্ষেত্রে আমি মনে করি সতর্ক থাকাই উচিত।