টেকনাফে নাফ নদী থেকে ১৪ হাজার ইয়াবা জব্দ
আজকের পত্রিকা
টেকনাফে নাফ নদী থেকে ১৪ হাজার ইয়াবা জব্দ
আজকের পত্রিকা
গফরগাঁওয়ে আলোচিত ধর্ষণের ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্ঠান্তমূলক শাস্তির দাবিতে খেলাফত মজলিসের মানববন্ধন
সারাদেশ
গফরগাঁওয়ে আলোচিত ধর্ষণের ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্ঠান্তমূলক শাস্তির দাবিতে খেলাফত মজলিসের মানববন্ধন
আজকের পত্রিকা
ঢাকা টু রংপুর লং মার্চ উপলক্ষে সিরাজগঞ্জের প্রবেশ দ্বার হাটিকুরুল গোল গোলচত্বরে জামায়াতের আমিরের পথ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে
সারাদেশ
স্টাফ রিপোর্টার এ,কে,এম, রুহুল আমিন
ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর মোঃ কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে সরকারি বদলির আদেশ অমান্য করে একই পদে অবস্থান করার অভিযোগ উঠেছে। বদলির আদেশ জারির এক মাসেরও বেশি সময় পার হয়ে গেলেও তিনি নতুন কর্মস্থলে যোগদান না করে পূর্বের কর্মস্থলেই নিয়মিত অফিস চালিয়ে যাচ্ছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ৯ জুলাই ২০২৬ তারিখে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশক্রমে মোঃ কামরুল ইসলামকে গফরগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে বদলি করা হয়। তবে আদেশ জারির পর দীর্ঘ এক মাসেরও বেশি সময় অতিবাহিত হলেও তিনি রহস্যজনক কারণে নতুন কর্মস্থলে যোগ না দিয়ে অবমুক্ত (রিলিজ) না হয়ে পূর্বের কর্মস্থলেই বহাল রয়েছেন। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বদলির নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে নতুন স্থানে যোগদানের কথা থাকলেও তিনি নিয়মিত আগের মতোই অফিস করছেন।তবে গফরগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. তৌফিক হাসান শাওন বিষয়টি ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি বলেন, “তাকে অফিসিয়ালভাবে বদলি-সংক্রান্ত ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। অফিসিয়াল বিশেষ প্রয়োজনে মাঝে মধ্যে তাকে ডাকা হয়। আজ থেকে তাকে বলে দেব, আর যেন এখানে না আসেন।”
তার এই বক্তব্যের পরও প্রশ্ন উঠেছে—বদলির পর যদি সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়ে থাকে, তাহলে পরবর্তী সময়ে তিনি কোন দাপ্তরিক নির্দেশে এবং কীভাবে পুরোনো কর্মস্থলে এসে দায়িত্ব পালন করছিলেন?
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একাধিক কর্মচারী ও স্থানীয়
জানান উনাকে অফিসিয়াল ভাবে বদলী সংক্রান্ত ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে অফিসিয়াল বিশেষ কাজে মাঝে মধ্যে উনাকে ডাকা হয় আজ থেকে উনাকে বলে দেব আর না আসার জন্য তাহলে কামরুল ইসলাম কার হুকুমে এই খানে অফিস করছেন।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একাধিক কর্মচারী ও স্থানীয়দের মতে, প্রশাসনিক আদেশকে তোয়াক্কা না করে এভাবে দিনের পর দিন একই স্থানে দায়িত্ব পালন করে যাওয়া প্রশাসনিক শৃঙ্খলাভঙ্গের শামিল। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আদেশ বাস্তবায়নে বিলম্ব হওয়ায় সাধারণ সেবাগ্রহীতা ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মীদের মাঝে নানা প্রশ্ন ও গুঞ্জনের সৃষ্টি হয়েছে।

এ বিষয়ে দাপ্তরিক স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।